বিবিধ, স্বাস্থ্য

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ‘ডিবিসি-ডিএমকে হেলথ এক্সপ্রেস’ শুরু

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ডিবিসি নিউজ ও ডিএমকে হেলথের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘ডিবিসি-ডিএমকে হেলথ এক্সপ্রেস’। এই মানবিক কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ধারাবাহিকভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের জন্য থাকছে ৫০ শতাংশ মূল্যছাড়।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর মহাখালীর বিটিসিএল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ফিতা কেটে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব জহিরুল ইসলাম শাকিল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে সরকার পর্যায়ক্রমে এক লাখ কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এছাড়া, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার তার বক্তব্যে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে গঠনমূলক আলোচনা করেন।

 

এ প্রসঙ্গে ডিবিসি নিউজের সম্পাদক লোটন একরাম বলেন, এই কার্যক্রম দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেন।

 

ডিএমকে হেলথের সিইও ব্যারিস্টার ইয়াসিন খান জানান, দেশের দূরবর্তী অঞ্চলে ওষুধের ঘাটতি এবং চিকিৎসকের অভাবে অনেক মানুষ গুণগত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আধুনিক চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

উদ্বোধনের পর থেকেই মেডিকেল ক্যাম্পে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ প্রদান শুরু হয়। অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করেন দক্ষ টেকনোলজিস্টরা। রোগীদের জন্য সব ধরনের পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। এছাড়া, পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ প্রদানের জন্য নিউট্রিশনিস্টদের একটি বিশেষ টিমও সেখানে কাজ করে।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন