ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রোকমান খার ডাঙ্গী গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা, কীটনাশক খাওয়ানো অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয় এবং মুক্তির জন্য কয়েক দফায় ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই ব্যবসায়ীর নাম ইউসুফ ফকির (৪৫)। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের রোকমান খার ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা সেকেন ফকিরের ছেলে। তিনি ২ মেয়ে ও ১ ছেলের বাবা। ইউসুফ একজন পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ছিল।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মমিনখার হাট বাজারের উদ্ধেশ্যে বের হন। বাজারের কাজ শেষ করে সন্ধ্যার দিকে একটি ইজিবাইকে নিজের বাড়ির সামনে এসে নামেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এরপর রাত নয়টার দিক থেকে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মৃতের ভাতিজা সাইফুল ফকির বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে বারোটায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে ফোন করে ৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়, টাকা দিলে আমার জামাতাকে অক্ষত ছেড়ে দেয়া হবে বলে বলে জানায় অপহরণকারীরা। পরে তার নম্বরটি বন্ধ করে একটি আইপি নম্বর থেকে দুইবার কল দিয়ে একই দাবি করে।
শনিবার (১৮ জুলাই) ভোর ছয়টায় ইউসুফের বাড়ির আনুমানিক ৩০০ মিটার দূরে একটি পাটখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি ময়নাতদন্তের জন্য। এবং তদন্ত চলমান
ডিবিসি/আরপিডি