স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ের পর ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে ইউরোপের আরেক দেশ পর্তুগাল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রোর দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
গাজায় চলমান সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে ইউরোপের অবস্থান ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় পর্তুগাল সরকার সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করার পথে হাঁটছে। প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্টের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনেই আসতে পারে এই সিদ্ধান্ত। ঐতিহাসিকভাবে মধ্যপন্থা অবলম্বন করলেও গাজার মানবিক সংকট পর্তুগালকে এই কঠোর অবস্থান নিতে উৎসাহিত করেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে এগিয়ে এসেছে। স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে ইতোমধ্যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সও সেপ্টেম্বরে একই পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এই তালিকায় পর্তুগালের নাম যুক্ত হওয়ায় পশ্চিম ইউরোপের কূটনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। তাদের যুক্তি, দুই-রাষ্ট্র সমাধানের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া অপরিহার্য।
ডিবিসি/এফএইচআর