আন্তর্জাতিক

বন্যার কয়েক ঘণ্টা পর নেপালে আঘাত হেনেছিল আরো একটি ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির মাঝেই এবার আঘাত হেনেছে ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশটির রসুয়া অঞ্চলে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই কম মাত্রার আরেকটি কম্পনের ফলে দেশটিতে ভয়াবহ বন্যার সূত্রপাত হয়েছিল। চলমান বন্যা পরিস্থিতির মাঝে নতুন এই ভূমিকম্প দুর্গত এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি করেছে।

 

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূমিধসপ্রবণ এলাকা কোদারি থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। তবে এর গভীরতা বা নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। রসুয়ায় বর্তমানে বন্যা দুর্গতদের জন্য ব্যাপক পরিসরে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চলছে।

 

বুধবার সকাল ৯টার দিকে তিব্বত সীমান্ত হয়ে ভোতে কোশি নদীতে প্রলয়ংকরী বন্যা দেখা দেয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই বন্যায় অন্তত ১৫৭ জন নিহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকশো মানুষ। নেপাল পুলিশ ইতিমধ্যেই ১৫৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে এবং বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে সাধারণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে।

 

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর অন্তত ৪০৩ জন পর্যটকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না, যাদের মধ্যে ৩৪১ জনই বিদেশি। নেপালের পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতীয়। এর মধ্যে ১৩৩ জনই কৈলাস মানস সরোবরের তীর্থযাত্রী। এছাড়া নিখোঁজদের তালিকায় অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকরা রয়েছেন।

 

তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া ও ধাদিং এবং নুয়াকোট জেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভয়াবহ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সরকারের সব ধরনের সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

 

সূত্র: এনডিটিভি

 

ডিবিসি/এসডব্লিউএন

আরও পড়ুন