চলে গেলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক । তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তোফায়েল আহমেদ। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তোফায়েল আহমেদ । ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু'র ভিপি ছিলেন। পরে ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন তুখোড় এই রাজনীতিবিদ।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এছাড়া নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন মন্ত্রী হিসেবেও । আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ ।
ডিবিসি/আরএসএল