প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী সকল দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মেলা উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই আহ্বান জানান।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মেলাটি ১লা জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩রা জানুয়ারি, শনিবার থেকে মেলা শুরু হবে।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য পূরণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এটি একটি অনন্য আয়োজন।
দেশি পণ্যের প্রচার ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মাসব্যাপী এই আয়োজন দেশি-বিদেশি দর্শক, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে বাংলাদেশে উৎপাদিত মানসম্পন্ন পণ্য উপস্থাপনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারাও এই মেলার মাধ্যমে বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারেন।
প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, এই মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও পণ্য বহুমুখীকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নে মেলাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
সকলের কার্যকর অংশগ্রহণে মেলাটি সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
ডিবিসি/আরএসএল