বাংলাদেশ, জাতীয়

বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সরকার নিরুপায় হয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও তা দ্রুত সমন্বয় করে কমানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হলেও এপ্রিলে একবার সমন্বয় হওয়ায় মে মাসে তা করা হয়নি। একান্ত উপায়হীন হলেই সরকারকে এমন অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণেই এমন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। দেশে জ্বালানির মোট ব্যবহারের ৬৬ শতাংশই ডিজেল। এর পেছনে সরকারকে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হলেও সাধারণ মানুষের যেন ক্ষতি না হয়, সেই বিবেচনায় এবার ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

 

পরপর দুই দফা তেলের দাম বাড়ায় জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট অচিরেই সমাধান হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশেও দ্রুত কমানো হবে। অতীতের অভিজ্ঞতায় দাম বাড়ার মতো দ্রুত কমে না- এমন প্রসঙ্গের জবাবে তিনি দায়িত্ব নিয়ে বলেন, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে জনগণের কষ্ট লাঘবে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

এর আগে, রবিবার (৩১ মে) রাতে ডিজেল ছাড়া অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন