বাংলাদেশ, রাজনীতি

বিএনপি ও শরিকদের আসন সমঝোতায় কাটেনি জটিলতা

ডিবিসি নিউজ ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

বুধবার ৭ই জানুয়ারী ২০২৬ ০৪:২৬:৩৫ অপরাহ্ন
Facebook NewsTwitter NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বিএনপি ও তার যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে অস্বস্তি ও জটিলতা এখনো কাটেনি। শরিকদের জন্য আসন ছাড়লেও বিএনপির তৃণমূলের সমর্থন পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক প্রার্থী।

আসন সমঝোতা নিয়ে এখনো কেউ কেউ ঝুলে আছেন বলে জানা গেছে, আবার যুগপৎ আন্দোলনে থেকেও আসন না পেয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন অনেক নেতা। তবে বিএনপি বলছে, দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আসন নিয়ে সব জটিলতা দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে।


গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে শরিকদের জন্য আসন ছাড়ের ঘোষণা দেয় বিএনপি। ভোটের সমীকরণে শরিকদের জন্য অন্তত ১৪টি আসন ছেড়েছে দলটি। এর মধ্যে ৫টি আসনে শরিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের দল বিলুপ্ত করে বা পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ৪টি, গণতন্ত্র মঞ্চকে ৩টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটকে ১টি এবং গণঅধিকার পরিষদকে ১টি আসন ছেড়েছে বিএনপি।


তথ্য অনুযায়ী, শুধু শরিকদের দেওয়া আসনেই নয়, বরং মনোনয়ন বঞ্চিত ১৯০ জনের বেশি বিদ্রোহী বিএনপি নেতা ১১৫টি আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিশেষ করে শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে রুমিন ফারহানা ও সাইফুল আলম নিরবসহ ৯ জন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাদের এরই মধ্যে বহিষ্কার করেছে দল। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মনে করেন, আসন সমঝোতা ও নির্বাচনের জটিলতা নিরসনে বিএনপিকেই বড় ভূমিকা নিতে হবে। অন্যদিকে, আ স ম আব্দুর রবের জেএসডি কেন আসন সমঝোতায় জায়গা পেল না, তা জানা নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান আশা প্রকাশ করেছেন যে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিবৃত্ত করতে বিএনপি বিশেষ ব্যবস্থা নেবে।

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিদ্রোহীদের ব্যাপারে দলের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন এবং নীতিনির্ধারকরা বলছেন, ক্ষমতায় গেলে সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের চিন্তা তাদের রয়েছে।


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন