আগামী রবিবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও লামিনে ইয়ামালের স্পেনের মধ্যকার মহারণ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিঞ্চচিচ। ৪৬ বছর বয়সী এই রেফারির নিয়োগের পর থেকেই দুই দলের সাথে তার অতীত ইতিহাস নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্পেনের হয়ে লামিনে ইয়ামালের ইউরো ২০২৪-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ জয়ের ম্যাচের সাক্ষী ছিলেন ভিঞ্চচিচ; যার একটিতে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ইয়ামাল তার বিখ্যাত দূরপাল্লার গোলটি করেছিলেন।
অন্যদিকে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে স্পেনের তুলনায় আর্জেন্টিনার ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ ভিঞ্চচিচের ভাগ্য খুব একটা হয়নি। তবে আলবিসেলেস্তেদের সাথে তার যে একমাত্র স্মৃতিটি রয়েছে, তা আধুনিক ফুটবল ইতিহাসে আর্জেন্টিনার অন্যতম বড় এক ধাক্কা ও বেদনার গল্প। কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানের পরাজয়ের ম্যাচটিতে বাঁশি মুখে মাঠে ছিলেন এই ভিঞ্চচিচই। সেই হারে আর্জেন্টিনার টানা ৩৬ ম্যাচের অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। অবশ্য সেই ম্যাচে মাঠের সিদ্ধান্তগুলো কিন্তু প্রথমার্ধে লিওনেল মেসিদের পক্ষেই ছিল।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে কর্নার কিকের সময় লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে টেনে ধরার কারণে ভিঞ্চচিচ আর্জেন্টিনাকে একটি পেনাল্টি উপহার দেন, যা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হলেও তা থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন মেসি। এছাড়া পুরো ম্যাচে সৌদি আরবের ফুটবলারদের ছয়টি হলুদ কার্ড দেখালেও আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড়কে কার্ড বুক করতে হয়নি ভিঞ্চচিচকে।
আগামী রবিবারের ফাইনালে এই দুই ভিন্ন ইতিহাসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এই ভিঞ্চচিচ। ফিফা জানিয়েছে, অন্যান্য ম্যাচ কর্মকর্তারা হলেন তোমাজ ক্লানচনিক (সহকারী রেফারি ১), আন্দরাজ কোভাচিচ (সহকারী রেফারি ২), আধাম মাখাদমেহ (চতুর্থ কর্মকর্তা) এবং মোহাম্মদ আলকালাফ (রিজার্ভ সহকারী রেফারি)।
সূত্র: ওয়ার্ল্ড সকার টক
ডিবিসি/ এসভিএন