আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজ শেষে বিপিএল খেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
তবে টানা খেলার ধকলে পেসারদের ইনজুরি ঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা থাকলেও, টাইগারদের কোচিং স্টাফ বিষয়টিকে দেখছেন ইতিবাচক হিসেবে। বিপিএল চলাকালীন তাসকিন-মুস্তাফিজদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেসারদের ইনজুরিমুক্ত রাখতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিসিবি।
বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের হাতে আর মাত্র একটি ম্যাচ বাকি থাকলেও, আয়ারল্যান্ড সিরিজের পরই ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা বাড়বে বিপিএল নিয়ে। টানা খেলার ক্লান্তির সাথে ইনজুরি ভাবনা বিসিবির দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ। সাধারণত পেসারদের ইনজুরিমুক্ত রাখতে বোর্ড ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট পলিসি অনুসরণ করে, কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে সেই সুযোগ কিছুটা কম থাকে। দলের চাহিদা মেটাতে পেসারদের ওপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে।
তবে টাইগারদের পেস বোলিং কোচ শন টেইট ইনজুরি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। তার মতে, বিশ্বকাপের আগে বিপিএল হওয়াটা ভালো দিক, কারণ এতে খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যেই থাকবেন।
তিনি জানান, ইনজুরি যেকোনো সময় হতে পারে, তাই ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে তিনি এখন বিশ্বকাপ নিয়েই ভাবছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব ক্রিকেটে বেশ সমাদৃত হয়েছে বাংলাদেশের পেস ইউনিট। তাসকিন-মুস্তাফিজদের অভিজ্ঞতার সাথে শরিফুল-তানজিমদের আগ্রাসী মনোভাব বোলিং আক্রমণে এনেছে ভিন্নতা। দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে পেসারদের মধ্যে এখন মধুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, যাকে দলের উন্নতির লক্ষণ হিসেবে দেখছেন কোচ।
শন টেইট উল্লেখ করেন, অনেক হাই কোয়ালিটি বোলার থেকে কয়েকজনকে বেছে নেয়াটা কঠিন হলেও এটি দলের জন্য ভালো। সংখ্যায় বেশি হওয়ায় বোলারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। তবুও বিপিএলে পেসারদের সুরক্ষায় বিসিবিকে বাড়তি নজর দিতে হবে এবং ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট অনুযায়ী রোটেশন পলিসিতে খেলানোর জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে নির্দেশনা দিতে হবে।
ডিবিসি/এসএফএল