আন্তর্জাতিক, এশিয়া

বিশ্বে জেট জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা: প্রভাব বেশি পড়বে এশিয়ায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জেট জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার প্রধান উইলি ওয়ালশ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তিনি জানান, উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের মৌসুমে এই সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব সবচেয়ে আগে এবং বেশি পড়বে এশিয়ায়।


জেনিভায় রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইএটিএ মহাপরিচালক বলেন, জ্বালানি সংকটের এই ঢেউ এশিয়ার পর ইউরোপে এবং পরবর্তীতে আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি রেশনিং বা বরাদ্দ সীমিত করা হলে অনেক ফ্লাইট বাতিল করার প্রয়োজন হতে পারে।


উইলি ওয়ালশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমার মনে হয়, আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ব্যস্ত সময়ে জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে বিমান সংস্থাগুলো এখনই তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বা শিডিউল কমিয়ে আনতে শুরু করবে।


তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, এই পরিস্থিতি কোভিড-১৯ মহামারীর মতো হবে না। সে সময় বিমান চলাচল পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়লেও এবার তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ওয়ালশ বলেন, মানুষ গ্রীষ্মের ছুটিতে ভ্রমণ করতে চায় এবং বিশ্বজুড়ে বিমান ভ্রমণের চাহিদাও বর্তমানে বেশ শক্তিশালী। তাই সংকট থাকলেও মানুষ আগের মতোই যাতায়াত অব্যাহত রাখবে বলে আমি আশা করি।


ইউরোপের বাজারে সরবরাহ সংকট মেটাতে 'জেট এ' জ্বালানি ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন আইএটিএ প্রধান। সাধারণত এই জ্বালানির হিমাঙ্ক কিছুটা বেশি থাকে।


ওয়ালশ বলেন, যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো দ্রুত সাড়া দেয় এবং জ্বালানির মান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে, তবে ইউরোপে জেট এ জ্বালানি ব্যবহার করে সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হতে পারে।


উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে এভিয়েশন সেক্টরে। এর ফলে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে পর্যটকদের বাড়তি ভোগান্তি ও বিমান ভাড়া বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।


সূত্র: রয়টার্স


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন