আন্তর্জাতিক

বিশ্বে ফার্মের মুরগির মাংস উৎপাদনে শীর্ষ ৫০ দেশের মধ্যেও নেই বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বিশ্বজুড়ে মানুষের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস এখন পোলট্রি বা ফার্মের মুরগির মাংস। জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে এর চাহিদা বাড়লেও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সর্বশেষ তথ্যমতে, বিশ্বে ফার্মের মুরগি উৎপাদনে শীর্ষ ৫০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান নেই।

২০২৪ সালে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০৭ মেট্রিক টন মাংস উৎপাদন করে ১৮৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৩তম অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার চিত্রও আশাব্যঞ্জক নয়; এই অঞ্চলে ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তান ও ছোট দেশ শ্রীলঙ্কার চেয়েও পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

 

অন্যদিকে, বৈশ্বিক মুরগি উৎপাদনে একক আধিপত্য বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। শতভাগ আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, কঠোর জৈব-নিরাপত্তা ও সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে ২ কোটি ১৭ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন করে শীর্ষে রয়েছে তারা। এরপর ১ কোটি ৬০ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে চীন এবং ১ কোটি ৩৭ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। 

 

এছাড়া, ৫৪ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন নিয়ে রাশিয়া চতুর্থ এবং ৫০ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারত পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। শীর্ষ দশের বাকি দেশগুলো হলো যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, মিশর, তুরস্ক ও জাপান।

 

দেশের অভ্যন্তরে পোলট্রি শিল্পের প্রসার ও কর্মসংস্থান বাড়লেও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং পোলট্রি খাদ্যের উচ্চমূল্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। মুরগি উৎপাদনের মোট খরচের প্রায় ৭০ শতাংশই চলে যায় খাদ্যের পেছনে।

 

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ বিশ্বতালিকায় এগোতে চাইলে প্রথমেই পোলট্রি ফিডের দাম কমাতে হবে। পাশাপাশি খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা এবং রোগবালাই প্রতিরোধে কার্যকর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

 

ডিবিসি/এমএনকে

 

 

আরও পড়ুন