বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আটশ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের ‘বে-টার্মিনাল’ প্রকল্পে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ ও পরিকল্পনা সরেজমিনে দেখতে সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল।
টার্মিনালটিকে স্রোত থেকে রক্ষায় বাঁধ বা ব্রেক ওয়াটার তৈরি ও খনন কাজের জন্য গত জুনে বিশ্বব্যাংক ৬৫ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন দিয়েছে, যদিও কাজ এখনও শুরু হয়নি। ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টার্মিনালে ২৪ ঘণ্টা জাহাজ নোঙর সুবিধা থাকবে। এখানে ১ হাজার ২২৫ মিটার দীর্ঘ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল এবং ১ হাজার ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি মাল্টিপারপাস টার্মিনালসহ মোট তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে।
আড়াই হাজার একর ভূমিতে গড়ে ওঠা এই টার্মিনালে ২০৩০ সালের মধ্যে জাহাজ নোঙর করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দরের পঞ্চম টার্মিনাল হিসেবে ‘লালদিয়ার চর’ টার্মিনালের কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি শুরু হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক এবং বিজিএমইএ-এর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব জানান, এই প্রকল্পগুলো চালু হলে দেশের শিপিং বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
ডিবিসি/এএমটি