প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারায় ভর করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৬৩৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করে হিসাব করলেও গত রোববার পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফেরারই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্ববাজারে পণ্যের দামের ওঠানামা এবং বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ থাকলেও বর্তমানের এই ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বাড়তি সক্ষমতা জোগাচ্ছে। দেশের মাসিক গড় আমদানি ব্যয় ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ধরা হলে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি খরচ মেটানো সম্ভব। যেকোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে আইএমএফ অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ রাখার পরামর্শ দিলেও, বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ সেই নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশ খানিকটা ওপরেই রয়েছে।
ডিবিসি/এফএইচআর