জাতীয়

বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ আছে : মীর শাহে আলম

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১০ হাজার কর্মী বৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার হতে পারে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতালিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি অবস্থান করছেন, যাদের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের বাসিন্দা। সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে যৌথ কর্মশালা আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে অবৈধভাবে অবস্থানরতদের বৈধ করার বিষয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। দালালদের মাধ্যমে অবৈধভাবে যাওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকেও দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।


কর্মসংস্থানের পাশাপাশি প্রযুক্তি, দক্ষতা ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতেও দুই দেশ সম্মত হয়েছে। খাদ্য অপচয় রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইতালির বিখ্যাত ‘মিলান মডেল’ বাংলাদেশের খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও ইতালীয় ভাষায় পারদর্শিতা বাড়াতে প্রতিনিধি পাঠাবে ইতালি। দেশের নির্দিষ্ট কোনো ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এই ভাষা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও স্থপতিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতালিতে প্রশিক্ষণেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


সৌজন্যমূলক এই সাক্ষাৎ শেষে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো জানান, বৈঠকে বাণিজ্য, অভিবাসন এবং দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (টুইনশিপ) নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে ইতালি সবসময় আগ্রহী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন