জাতীয়

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট

ডিবিসি নিউজ

৭ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো সাংবাদিকদের জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, দেশের রপ্তানি সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে একটি কার্যকর আমদানি নীতির ওপর, যা রপ্তানিমুখী কার্যক্রমকে উৎসাহিত ও সহায়তা করতে পারে।

 

শফিকুল আলম আরও বলেন, “রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যেন সহজে আমদানি করা যায় এবং স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় বিদেশে পাঠানো যায়, সেটি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি নীতি প্রণয়ন করা জরুরি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ উপদেষ্টা পরিষদে খসড়া নীতি আদেশটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।”

 

এই নীতি আমদানি প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়িক সুবিধা বৃদ্ধি করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার কাস্টমস শুল্ক ও অন্যান্য কর ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে, যা সামগ্রিক রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়ক হবে। এ ছাড়া, আমদানিকৃত পণ্য খালাস ও পরবর্তী যাচাই-বিশ্লেষণে ‘ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা’ (Risk Management) পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে আমদানিকৃত পণ্যের প্রথম দফার পরীক্ষায় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে আমদানিকারকরা দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ পাবেন—যা আগে সম্ভব ছিল না।

 

নতুন নীতি বাস্তবায়নের ফলে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ হবে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন যে বিদ্যমান ব্যবসায়িক পরিবেশ পুরোপুরি বাণিজ্য সহায়ক নয়। এই নতুন নীতির মাধ্যমে পরিবেশ আরও অনুকূল হয়ে উঠবে, যা রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

প্রেস সচিব জানান, নতুন বিধান অনুযায়ী তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী খাতের শিল্পকারখানাগুলো প্রয়োজনীয় কাঁচামাল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করতে পারবে। এতে এসব খাতের রপ্তানি সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

ডিবিসি/কেএলডি

আরও পড়ুন