আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা, ফুটবল

ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল

স্পোর্টস ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য স্মারক এবার পাড়ি জমাচ্ছে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। স্কটল্যান্ডের স্টার্লিং শহরের স্মিথ আর্ট গ্যালারি অ্যান্ড মিউজিয়ামে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো একটি ফুটবল এবার সেখানে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো ফুটবল হিসেবে স্বীকৃত এই বলটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল স্টার্লিং দুর্গের রানীর শয়নকক্ষে।

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, চামড়ার তৈরি বলটি ১৫৪০ থেকে ১৫৭০ সালের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে তৈরি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বলটির যাত্রা শুরু হয়েছে।

 

মায়ামির কোরাল গেবলস মিউজিয়ামে আয়োজিত ‘ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড দ্য বিউটিফুল গেম: ফ্রম স্কটল্যান্ড টু ব্রাজিল টু হাইতি’ শীর্ষক প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে এটি সেখানে রাখা হবে। শুধু প্রদর্শনীতেই নয়, আগামী ২৪ জুন ব্রাজিলের বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকবে এই ফুটবলটি। 

 

এই সফরকে স্মিথ আর্ট গ্যালারি অ্যান্ড মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ক্যারোলিন ম্যাথার্স। তিনি জানান, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো এই ফুটবলটি স্টার্লিংয়ের নিজস্ব সম্পদ। এটি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সেন্ট্রাল স্কটল্যান্ডের একটি ছোট এবং বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার থাকা জাদুঘরেও যে আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে, এটি তারই প্রমাণ বলে তিনি মনে করেন। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দেশের গল্প তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত।

 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পাওয়া এই ফুটবলটি স্কটল্যান্ডের ইতিহাসের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনের অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। স্মিথ মিউজিয়ামের ৪০ হাজারের বেশি শিল্পকর্ম ও ঐতিহাসিক সংগ্রহের মধ্যে এটিই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রদর্শনী। 

 

ঐতিহাসিক এই বলটি তৈরি করা হয়েছিল চামড়ার মোটা প্যানেল সেলাই করে। বলটির বাইরের অংশকে আরও মসৃণ ও বায়ুগতীয় করতে সেলাইয়ের পর সেটি উল্টে নেওয়া হয়েছিল এবং ভেতরে ব্লাডার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল শুকরের মূত্রথলি। সূত্রঃ দ্য হেরাল্ড

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন