বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল খনন শেষে প্রায় ২৮ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে শেষ করে সাশ্রয় হওয়া ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এই স্বচ্ছতার জন্য প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার ইউএনও মো. তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কাটাখালী খাল ও তেজখালী ইউনিয়নের লটিয়ার খাল পুনঃখননের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল প্রায় ৫৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। কাজ শেষে প্রকৃত ব্যয় হয় ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা। ফলে অব্যয়িত ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।


গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রায় ১.৯০ কিলোমিটার খাল সাত থেকে আট ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রস্থে খনন করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কয়েক দফা পাড় মেরামত করতে হলেও কাজের মান বজায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া একটি খালের পাড়ে ২২০টি গাছও রোপণ করা হয়েছে।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খাল খনন প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্প। একটি খালের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে এবং অন্যটির কিছু কাজ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বরাদ্দের একটি অংশ উদ্বৃত্ত থাকায় সরকারি বিধি অনুসারে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।


বাঞ্ছারামপুরের অনেক বাসিন্দার মতে, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং অব্যয়িত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার এই উদ্যোগ প্রশাসনে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার একটি ইতিবাচক উদাহরণ।

 

ডিবিসি/ এসভিএন

আরও পড়ুন