আন্তর্জাতিক

ভারতে ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেল সড়ক, গাড়ি ফেলেই চলে গেলেন চালকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৪৭ মিনিট আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

মাত্র এক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই ফের বেহাল দশা হয়েছে ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রাম শহরের। ভেঙে পড়েছে সেখানকার নাগরিক পরিকাঠামো। এই পরিস্থিতিতে শহরের অফিসগুলোকে বাড়ি থেকে কাজ (ডব্লিউএফএইচ) এবং স্কুলগুলোকে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনার পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

উচ্চমানের ফ্ল্যাট, বড় মল এবং কর্পোরেট অফিসের জন্য পরিচিত ‘মিলেনিয়াম সিটি’খ্যাত এই শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকার সমস্যা নতুন নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, সামান্য দীর্ঘ সময় বৃষ্টি হলেই নিকাশি ও পরিকাঠামো বিপর্যয়ের এই পুরোনো চিত্র বারবার ফিরে আসে।

 

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর দেড়টার মধ্যেই গুরুগ্রামে ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে রাজীব চক, ইফকো চক, রেলওয়ে রোড, সেক্টর ৫, ওল্ড দিল্লি রোড, মেহরাউলি রোড এবং বসাই রোডসহ শহরের প্রধান প্রধান এলাকাগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়ে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা গেছে, জলমগ্ন রাস্তায় গাড়ি আটকে যাওয়ায় চালকরা সেগুলো ফেলে রেখেই চলে গেছেন। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনেক শিক্ষার্থী কাদা পানির নিচে ঢাকা থাকা খোলা ম্যানহোল এড়াতে বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাসস্টপ কিংবা উঁচু প্ল্যাটফর্মে উঠে পড়ে।

 

এদিকে বৃষ্টির কারণে দিল্লি-জয়পুর এক্সপ্রেসওয়েতেও যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পর্যাপ্ত প্রশস্ততা থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। নিত্যযাত্রীদের তথ্য অনুযায়ী, সিগনেচার টাওয়ার থেকে হিরো হন্ডা চক- যে পথ অতিক্রম করতে সাধারণত ১৫ মিনিট সময় লাগে, সোমবার তা পার হতে অন্তত ৫০ মিনিট লেগেছে। এছাড়া সাইবার হাবের কাছে গেটওয়ে টাওয়ার মেট্রো স্টেশনের বিপরীতে এক্সপ্রেসওয়ের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় প্রধান এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এবারের মৌসুমে গুরুগ্রামের অন্যতম জলমগ্ন এলাকা হিসেবে পরিচিত শীতলা মাতা রোডের অবস্থাও ছিল চরম বিপর্যস্ত।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন