ভারতের ত্রিপুরার খোয়াই জেলায় ছয় বছরের এক শিশুকে ফুল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার ঘটনাটি ঘটে। এ সময় শিশুটি তার বড় বোনের সঙ্গে বাড়িতে ছিল এবং তাদের বাবা-মা ঘাস কাটতে বাইরে গিয়েছিলেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ছাত্র ফুল দেখানোর কথা বলে শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাবা-মা ফিরে এলে শিশুটি তার গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানায়। পরে তার মা শরীরে কালশিটে ও আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।
শিশুটির বাবা জানান, “স্ত্রী জিজ্ঞাসা করলে মেয়ে সব খুলে বলে। রাতে সবজি বিক্রি করে ফেরার পর স্ত্রী আমাকে বিষয়টি জানায়। সকালে অভিযুক্তের পরিবার ঘটনাটি জানতে পেরে তাদের ছেলেকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ করে।” তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়ে এখন কষ্ট পাচ্ছে। সে খুব ছোট, সবেমাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। এখন তার বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল।”
ঘটনার একদিন পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনায় পকসো (POCSO) আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এরপর পুলিশ ছেলেটিকে গ্রেফতার করেছে।
সাব-ইন্সপেক্টর সম্পা দাস জানান, “আমরা এক নাবালিকাকে ধর্ষণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিই এবং মামলা রুজু করি। আমরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছি এবং অভিযুক্তকে আটক করেছি। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পকসো আইনের বিধান অনুযায়ী আমরা পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব।”
সূত্র: এনডিটিভি
ডিবিসি/পিআরএএন