আন্তর্জাতিক, এশিয়া

ভারী বৃষ্টিতে ‘রক্তলাল’ ইরানের হরমুজ দ্বীপের সমুদ্র সৈকত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

বুধবার ১৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দক্ষিণ ইরানের হরমুজ দ্বীপে ভারী বর্ষণের ফলে উপকূলরেখার একাংশ যা স্থানীয়ভাবে ‘রেড বিচ’ নামে পরিচিত গভীর রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। বৃষ্টির পানির তোড়ে পাহাড় থেকে খনিজসমৃদ্ধ লাল মাটি ধুয়ে সমুদ্রে মিশে সৃষ্টি হয়েছে এক অদ্ভুত দৃশ্যের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃষ্টির পানি দ্বীপের ঢাল বেয়ে লাল মাটি ধুয়ে নিয়ে সমুদ্রে ফেলছে। এর ফলে সমুদ্রের পানি এবং বালুকাময় উপকূল উজ্জ্বল লাল রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে, যা পর্যটক ও নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে।

 

আরব সাগরের হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত এই দ্বীপটি প্রাকৃতিকভাবেই লাল মাটি এবং রঙিন ল্যান্ডস্কেপের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে ‘গোলাক’ নামে পরিচিত এই লোহা-সমৃদ্ধ (আয়ন-রিচ) মাটির কারণেই সৈকতের এমন বিশেষ রং। 

 

ভারী বৃষ্টির সময় লাল পাহাড় থেকে মাটির স্রোত নেমে এসে সমুদ্রে মিশলে পানির রং নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়। অনেক দর্শনার্থী ও প্রতিবেদনে একে ‘রক্তের বৃষ্টি’ বা ‘ব্লাড রেইন’ হিসেবে অভিহিত করলেও, এর সঙ্গে কোনো জৈবিক উপাদানের সম্পর্ক নেই। মূলত আয়রন অক্সাইড এবং পলিতে থাকা অন্যান্য খনিজের কারণেই পানির রং এমন লাল দেখায়।

 

বৃষ্টির প্রভাবে সমুদ্রের এই রঙ বদল দ্বীপটিতে একটি উদযাপনের মতো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ভিড় করছেন অসংখ্য পর্যটক ও আলোকচিত্রী। 

 

লাল সৈকত ছাড়াও দ্বীপটিতে হাজার বছরের ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার ফলে হলুদ, কমলা এবং অন্যান্য রঙের মাটির গঠন দেখা যায়, যার কারণে হরমুজ দ্বীপকে ‘রেইনবো আইল্যান্ড’ বা রংধনু দ্বীপও বলা হয়।

 

সূত্র: গালফ নিউজ

 

ডিবিসি/এনএসএফ

আরও পড়ুন