বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

ভৈরব থেকে ২৮ রুটের বাস চলাচল বন্ধ, সিএনজিই ভরসা

ভৈরব প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

বৃহঃস্পতিবার ২রা নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বিএনপি’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধের আজ দ্বিতীয় দিনে চলছে না কোন দূর পাল্লার বাস। তাই মূল ভরসা মহাসড়কে চলা নিসিদ্ধ সিএনজি।

আজ বুধবার (১ নভেম্বর) ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে দেখা গেছে এমন চিত্র। এদিকে ভৈরব থেকে জেলার অভ্যন্তরীন যাত্রীবাহী বাসসহ ২৮টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বেড়েছে যাত্রীদের ভোগান্তি। বেড়েছে যাতায়াত খরচ। তবে ভৈরব বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিমুল মিয়া বলছেন অল্প সংখ্যাক গাড়ি চলছে।

ভৈরব বাসস্ট্যান্ড প্রতিটি কাউন্টারে লোক রয়েছে। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস মালিকরা বাস রাস্তায় চলাচল বন্ধ রেখেছে। ভৈরবে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাস মালিক সমিতি ও পরিবহণ শ্রমিকদের সংগঠনটি তালাবদ্ধ রয়েছে। ভৈরব বাস্ট্যান্ডে দেখা গিয়েছে পণ্য পরিবহণের মালবাহী ট্রাক, জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহকারী গাড়ি ও সিএনজি চলাচল করছে।

এ সময় সিএনজি চালক লিটন মিয়া ও পিয়ার আলী জানান, মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ সদর জেলা থানা মোড়ে দুইটি সিএনজি ভাঙচুর ও আগুন দেয়া হয়েছে। তাই যেতে চাচ্ছি না। জীবন জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হয়েছি। ভয় হচ্ছে তবুও যাত্রীরা যেখানে যায় সেখানে নিয়ে যাচ্ছি।

কিশোরগঞ্জে যাওয়া যাত্রী আলমগীর মিয়া বলেন, যাত্রীদের চাপ নেই তবে দূরপাল্লার বাস না চলায় সিএনজিতেই ভরসা সাধারণ যাত্রীদের। ভাড়া নিচ্ছে বেশি আবার সিএনজিও পাচ্ছি না। ভয়ে রয়েছি যাত্রা পথে কখন জানি কি হয়।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের যাবে দুই জা ইয়াসমিন ও তাসলিমা। তারা জানান, আমরা বাস অথবা ট্রেনে যাতায়াত করতাম। এখন নিরুপায় হয়ে সিএনজিতে যাতায়াত করছি। আজকে আমরা নতুন সিএনজি দিয়ে বাড়ি যাচ্ছি তবে ভাড়াও বেশি মনে হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ থেকে আসা যাত্রী রতন মিয়া বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাব কিন্তু কোনো গাড়ি না পেয়ে সিএনজি দিয়ে ভৈরব এসেছি। ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। এখন ভৈরব থেকে অটো, সিএনজি ব্যবহার করে যেতে হবে। বাস-ট্রেন বন্ধ। সিএনজিই এখন যাত্রা পথে মূল ভরসা।

এ বিষয়ে পরিবহণ শ্রমিকলীগ নেতা শাহাজাহান মিয়া বলেন, অবরোধের কারণে গাড়ি চলছে না। বাস মালিকরা রাস্তা বাস নামতে দিচ্ছে না। তাই বেকার হয়ে বসে আছি। এভাবে চলতে থাকলে শ্রমিকরা না খেয়ে মরবে।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ বলেন, ‘সড়কে সড়কে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সেই সাথে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরধারী করা হচ্ছে।

ডিবিসি/ এইচএপি

আরও পড়ুন