মাগুরায় সড়কে গতিরোধ করে মো. ইমরান হোসেন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত নাঈমুজ্জামান নয়ন একসময় মাগুরা সদর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ঘটনার পর জেলা পুলিশের সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও শনিবার (২৯ আগস্ট) পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের বিপরীতে মাইক্রোবাসস্ট্যান্ড এলাকা দিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল ইমরান। এ সময় তাঁর গতিরোধ করে দুর্ব্যবহার ও মারধর করেন নাঈমুজ্জামান নয়ন। এ ঘটনায় তাঁকে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কমলা রঙের টি-শার্ট পরা নয়ন মোটরসাইকেলের সামনে দাঁড়িয়ে চাবি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং উত্তেজিত হয়ে আরও লোকজনকে ডাকছেন। ওই ব্যক্তি নিজেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং পুলিশ সদস্যকে ‘দারোগা’ বলে সম্বোধন করে একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত নাঈমুজ্জামান নয়নের বিরুদ্ধে এর আগে মাদক, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এদিকে, শুক্রবার রাতে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা থানায় গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ডিবিসি/পিআরএএন