খেলাধুলা, ফুটবল

মার্তিনেজকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে জ্যাকেট উপহার পেলেন ভক্ত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বিশ্বকাপ শেষে নিজ শহর মার দেল প্লাতায় ছুটি কাটাতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত এক বিপদে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। সিয়েরা দে লস পাদ্রেস এলাকায় কাদায় আটকে পড়া এক বন্ধুর গাড়ি টেনে তুলতে গিয়ে তাঁর নিজের পিকআপ ট্রাকটিও কাদায় আটকে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত এক ভক্তের সহায়তায় সেই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পান বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা।

ওই সময় লিওনার্দো আলবারাসিন নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা তাঁর ছেলেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রবল বৃষ্টির পর রাস্তাঘাটের বেহাল দশার মধ্যেই আলবারাসিন মূলত মার্তিনেজের সঙ্গে একটি ছবি তোলার আশায় তাঁকে খুঁজছিলেন। দূর থেকে প্রায় দুই মিটার লম্বা এক ব্যক্তিকে দেখে আলবারাসিনের ছেলে তাঁকে চিনে ফেলে। কাছাকাছি গিয়ে আলবারাসিন ‘দিবু, চ্যাম্পিয়ন’ বলে ডাক দিলে মার্তিনেজ তাঁর চেনা হাসিতে জবাব দেন।

 

এরপর মার্তিনেজ জানান যে তাঁরা দড়ির গিঁট খুলতে পারছেন না এবং তাঁদের একটি ছুরি প্রয়োজন। আলবারাসিনের কাছে ছুরি থাকায় তিনি তৎক্ষণাৎ কাদায় নেমে গিঁট খুলতে সাহায্য করেন এবং নিজের গাড়ি দিয়ে মার্তিনেজের ট্রাকটি কাদা থেকে টেনে তোলেন।

 

আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র লা ক্যাপিটালকে এই অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আলবারাসিন মার্তিনেজের অমায়িক ব্যবহারের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, সে সময় ফুটবল বা বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো কথা না হলেও মার্তিনেজ একেবারে পুরোনো বন্ধুর মতো তাঁদের সঙ্গে গল্প করেছেন। বিপদমুক্ত হওয়ার পর মার্তিনেজ তাঁদের বারবার ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে তাঁরাই তাঁকে বাঁচিয়েছেন। আলবারাসিনও সুযোগ পেয়ে কাতার বিশ্বকাপের পর নিজ বাড়িতে দিবুকে নিয়ে তৈরি করা ছোট্ট স্মৃতির জায়গার কথা তাঁকে জানান।

 

পুরো ঘটনাটি আলবারাসিন ও তাঁর পরিবারের জন্য জাদুকরি এক অভিজ্ঞতা হয়ে ধরা দেয়। দেখা পাওয়ার আশায় আগে থেকেই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া কোলো মুয়ানির শট ঠেকানোর ছবিসহ পোস্টার ও কয়েকটি জার্সিতে মার্তিনেজের অটোগ্রাফও পান তাঁরা। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি আসে বিদায়বেলায়, যখন মার্তিনেজ নিজের গায়ে থাকা জাতীয় দলের অফিশিয়াল জ্যাকেটটি খুলে আলবারাসিনকে উপহার দেন। অপ্রত্যাশিত এই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন এই ভক্ত।

 

ডিবিসি/এফএইচআর

আরও পড়ুন