ভারতের ২ নারী সাংবাদিকের অভিযোগ

মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে গিয়ে হেনস্তা, মুসলিম জেনেই নির্যাতন বাড়ায় দিল্লি পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৯ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দিল্লিতে দুই নারী ফ্রিল্যান্স সাংবাদিককে মারধর এবং ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সাংবাদিক শাহীন খান ও নাফিসা খানের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার উপস্থিতিতে সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে একটি অনুষ্ঠানে তারা প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে সাকেত থানায় নিয়ে যায় এবং সেখানে মারধর করা হয়।

প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান উইমেন্স প্রেস কর্পস, দিল্লি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট যৌথ বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে দুই সাংবাদিককে প্রথমে পুলিশ সদস্যরা হেনস্তা করেন। পরে থানায় নিয়ে একটি কক্ষে নারী পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের মারধর করা হয়। সাংবাদিকদের ধর্মীয় পরিচয় জানার পর নির্যাতন আরও বাড়ানো হয় এবং ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও করা হয় বলে অভিযোগ।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দুই সাংবাদিককে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখাতে দেখা গেছে। তারা দাবি করেছেন, মুসলিম পরিচয়ের কারণেই তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।


তবে দিল্লি পুলিশ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুলিশের বক্তব্য, ওই দুই নারী অনুষ্ঠানস্থলের কাছে নির্ধারিত ভিভিআইপি রুটে স্কুটার রেখে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। বারবার অনুরোধের পরও যানটি না সরানোয় নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের থানায় নেওয়া হয়।


দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ অনন্ত মিত্তল বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার কারণে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ ‘মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন’।


এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সাংবাদিক সংগঠনগুলো। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াকেও স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।


সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন