মুজিবনগর দিবসে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কোনো কর্মসূচি না থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার বিকেলে মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নাগরিক প্রতিনিধি দলের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাবেন না- এটি মেনে নেওয়া যায় না। তিনি সরকারের বোধোদয়ের প্রত্যাশা করে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের ধ্বংসপ্রাপ্ত ভাস্কর্যগুলো পুনরায় প্রতিস্থাপন এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিজড়িত সব দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।
প্রথম সরকার নাকি অস্থায়ী সরকার- এমন প্রশ্নের জবাবে এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, অস্থায়ী সরকার কথাটি তৎকালীন গণমাধ্যমের দেওয়া। মূলত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্যই এই সরকার গঠন করা হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
এ সময় তিনিও ভাস্কর্য ভাঙচুরের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঢাকায় গিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করবেন বলে জানান।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদ-এর সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা মুজিবনগর কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
ডিবিসি/আরএসএল