জেলার সংবাদ

মৌলভীবাজারে টেন্ডার ছাড়াই সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ বিসিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

মৌলভীবাজার শহরতলীর গোমড়া এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) শিল্পনগরীতে ঝড়ে পড়ে যাওয়া একটি সরকারি গাছ টেন্ডার বা নিলাম ছাড়াই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে জেলা বিসিক কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মো. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সরকারি বিধি অনুসরণ না করেই গাছটি বিক্রি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ঝড়ের সময় বিসিক শিল্পনগরীর ভেতরে একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। পরে গাছটি সরিয়ে নেওয়ার নামে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।


ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রুমেল আহমদ জানান, বিসিক শিল্পনগরীর ভেতরে ঝড়ে পড়ে থাকা গাছের অংশ সরিয়ে নিতে দেখেন তিনি। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, গোমড়া এলাকার আহমদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি গাছটি কিনেছেন।


এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আহমদ মিয়া বলেন, আমি বিসিকের জিএমের কাছ থেকে টাকা দিয়ে গাছটি কিনেছি। গাছের আরও একটি অংশ রয়েছে, সেটিও পরে নিয়ে যাবো।


বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে বিসিক জেলা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, গাছটি বিক্রি করা হয়নি, ঝড়ে পড়ে যাওয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে তিনি আবার দাবি করেন, গাছটি বিসিকের মৌলভীবাজার জেলা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আফজাল উদ্দিন বিক্রি করেছেন।


তবে আফজাল উদ্দিন এ দাবি অস্বীকার করে বলেন, গাছ বিক্রির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে বিসিক কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে।
সরকারি সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী নিলাম বা টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছটি বিক্রির ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিকের সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক (উপসচিব) খালেদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। সরকারি কোনো সম্পদ বিক্রি করতে হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ডিবিসি/ এসভিএন
 

আরও পড়ুন