মৌলভীবাজার রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা ও শ্রমিক হয়রানির অভিযোগে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছেন হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ ও পরিবহন শ্রমিকরা। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় মহাসড়কের ওপর হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস পরিবহনের বাস আড়াআড়িভাবে রেখে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে সিলেট বিভাগের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচল করলেও গত দুই বছর ধরে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার মোটর মালিক সমিতির মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এ ঘটনার জেরে আগে একাধিকবার হামলা-পাল্টা হামলা, বাস ভাঙচুর ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জের বাস আটকে দেয় একদল শ্রমিক। এ সময় কয়েকটি বাস ভাঙচুর করে শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগ ওঠে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে দুই জেলার বাস মালিক সমিতির নেতাদের একটি বৈঠক হয়। এতে সমস্যা সমাধানের আশ্বাসের পর শনিবার সকাল থেকে পুনরায় হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বাস চলাচল শুরু হলেও শনিবার সকালে বাসগুলো মৌলভীবাজার এলাকায় আবারও চলাচলে বাধা দিয়ে কয়েকটি বাস আটকে রাখা হয়। এ খবর পেয়ে শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের আশ্বাসে শনিবার সকাল থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছিল। কিন্তু মৌলভীবাজার মোটর মালিক গ্রুপ সেই সিদ্ধান্ত না মেনে আবারও বাস আটকে শ্রমিকদের হয়রানি করে। এর প্রতিবাদেই তারা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।
ডিবিসি/আরএসএল