বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমি এ কথা বলব না, আপনারা আমাকে ভোট দেন। আপনার যদি মনে হয়, আমাকে ভোট দিলে তা সঠিক জায়গায় যাবে, তবে দেন।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আদায় করতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর আন্দোলন, ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, ২০ হাজার মানুষের প্রাণ ও ১ হাজার ৭০০ জনের গুম হওয়ার বিনিময়ে এই নির্বাচন এসেছে। এছাড়া চব্বিশের জুলাই-আগস্টে প্রায় দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে জীবন দিতে হয়েছে। তাই এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সঠিক সরকার নির্বাচন করতে না পারলে দেশ আবার উল্টো দিকে চলে যেতে পারে। শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীগঞ্জ বাজার ও নীমবাড়িতে নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, তাঁরা একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে হিন্দু-মুসলমানের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। যারা ভেদাভেদ সৃষ্টি করতে চায়, তারা দেশের ক্ষতি করতে চায়। তিনি ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের উন্নয়ন, ইপিজেড ও কলকারখানা স্থাপন, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা, মেডিক্যাল কলেজ, বিমানবন্দর চালু এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, এবার আওয়ামী লীগ বা নৌকা মার্কা নেই, এসেছে দাঁড়িপাল্লা। এই দাঁড়িপাল্লার দল বা জামায়াত ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ও গণহত্যার সহযোগিতা করেছিল। তিনি বলেন, যারা দেশটাকেই বিশ্বাস করেনি, এমনকি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টিরও বিরোধিতা করেছিল, তাদের ভোট দেওয়া যায় না। দলটির নেতা মওদুদী সাহেব ইসলামের নতুন তত্ত্ব বের করেছিলেন উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ধর্মের বাইরে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করা এই দলকে তাঁরা মেনে নিতে পারেন না।
ডিবিসি/পিআরএএন