যশোরে কোনো অভিযোগ বা মামলা ছাড়াই গ্লোবাল টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম অভিকে প্রায় ৬ ঘণ্টা পুলিশ হেফাজতে রেখে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তাঁকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় আটকে রাখা হয়। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ও ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম অভি জানান, যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন চা খাওয়ার কথা বলে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে ডাকেন। সেখান থেকে কৌশলে তাঁকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওসির নির্দেশে তাঁকে ভিকটিম সেলে প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। দীর্ঘ এই সময়ে আটকের কোনো কারণ বা অভিযোগ তাঁকে জানানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি আরও জানান, সম্প্রতি কিছু অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য প্রেসক্লাবের ঊর্ধ্বতন নেতাদের পক্ষ থেকে তাঁর ওপর তদবির ও চাপ ছিল। তাঁদের কথা না শুনে প্রতিবেদনগুলো সম্প্রচার (অন এয়ার) করার কারণেই তাঁকে এমন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।
এদিকে কোতোয়ালি মডেল থানা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, প্রেসক্লাবের কয়েকজন নেতার অনুরোধেই তাঁকে থানায় আনা হয়েছিল। তবে ঠিক কী অভিযোগে বা কোন আইনি ভিত্তিতে একজন সাংবাদিককে দীর্ঘ সময় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ডিবিসি/আরএসএল