যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান আলোচনায় ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো প্রকার সমঝোতা করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র আমাদের প্রতিরক্ষার বিষয়, তাই এটি কখনো আলোচনার টেবিলে আপসযোগ্য নয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতার, সৌদি আরব এবং ওমানের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থানে পরিবর্তন এনেছে। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনার দাবি থেকে সরে এসেছে এবং আলোচনা শুধুমাত্র ‘পরমাণু কর্মসূচি’র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে।
আলোচনা চলাকালীনও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। আলোচনা শেষ হওয়ার পরপরই ওয়াশিংটন ইরানের তেল রপ্তানি সংকুচিত করতে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যার আওতায় তুরস্ক, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাবাহী ১৪টি জাহাজ এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এদিকে আরব সাগরে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ অবস্থান করছে। এর জবাবে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, যা পুরো অঞ্চল এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে গ্রাস করবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন চুক্তি না হলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে দেশটির সরকারের পতন ত্বরান্বিত হতে পারে।
তথ্যসূত্র মিডল ইস্ট আই
ডিবিসি/এমইউএ