যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার খরচ এখন রীতিমতো জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, আয়-ব্যয়ের বৈষম্য এবং স্থবির বেতন কাঠামোর চাপে পিষ্ট হচ্ছে আমেরিকার মধ্যবিত্ত শ্রেণি।
মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি অনুযায়ী বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও সময়ের সাথে সাথে সেখানে জীবনযাত্রার ব্যয় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই সংকট মোকাবেলায় করণীয় জানতে সংবাদ সংস্থা সিএনএন ২৭ জন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়িক নেতার সঙ্গে কথা বলেছে।
বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়ের চাপ বাড়ছে। একইসঙ্গে আয় ও সম্পদের বৈষম্য রেকর্ড গড়ার পথে। সমাধানের পথ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই শুল্ক কমানো বা বাতিলের ওপর জোর দিয়েছেন। তারা মনে করেন, গত কয়েক বছরের বাণিজ্যযুদ্ধ ও অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। শুল্ক কমানো হলে খাদ্য, পোশাক, ইলেকট্রনিকস ও গাড়ির বাজারদর কমবে।
বিশেষজ্ঞদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো বাড়ি নির্মাণে ফেডারেল অনুমোদন সহজ করা। নতুন বাড়ি নির্মাণে সরকার ও রাজ্যগুলো বিধিনিষেধ শিথিল করলে বাড়ি ভাড়া কমবে, যা মধ্যবিত্তের আবাসন সমস্যা লাঘব করবে।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানো, ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষা ঋণ পুনর্বিন্যাসের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কেউ কেউ ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, কর্মীদের কর ছাড় এবং বাজারের আধিপত্য ভেঙে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর কথাও বলেছেন।
ডিবিসি/আরএসএল