আন্তর্জাতিক, আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানের কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইরানের প্রয়াত সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড বাতিল করার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) ফেডারেল এজেন্টরা তাদের হেফাজতে নেয়।

শনিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট নিশ্চিত করেছে, হামিদেহ সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়ে বর্তমানে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর হেফাজতে রয়েছেন। গ্রিন কার্ড বাতিলের পাশাপাশি হামিদেহর স্বামীর ওপরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।


স্টেট ডিপার্টমেন্টের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত হামিদেহ আফশার ইরানের বর্তমান সরকার ও তাদের প্রচারণাকে (প্রপাগান্ডা) সমর্থন করতেন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে বাগদাদে এক মার্কিন বিমান হামলায় কাসেম সোলেইমানি নিহত হয়েছিলেন।


লারিজানির পরিবারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও নিরাপত্তা নীতি নির্ধারক আলী লারিজানির মেয়ে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্তর মোতামেদির আইনি মর্যাদাও বাতিল করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও।

 

তারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নেই এবং ভবিষ্যতে দেশটিতে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আলী লারিজানি গত মার্চের মাঝামাঝিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর এক যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন।


ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ ষষ্ঠ সপ্তাহে গড়িয়েছে। এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে অনেক অভিবাসীকে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে দেশান্তরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।


তবে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তারা বাকস্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে আইসিই কর্তৃক আটককৃত ব্যক্তিদের আদালতের আদেশে মুক্তি পাওয়ার নজিরও রয়েছে।


সূত্র: রয়টার্স


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন