ধর্ম, ইসলাম

যে নারীদের বিয়ে করা হারাম

Md. Shakil Sarder

ডিবিসি নিউজ

রবিবার ২৬শে মার্চ ২০২৩ ০৮:২১:০৬ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বৈবাহিক সম্পর্ক হচ্ছে একটি পবিত্র ও সুন্দর সম্পর্ক। এই সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বাধন হচ্ছে বিশ্বাস। এই পবিত্র সম্পর্ককে মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের ওপর হালাল করেছেন। সেই সঙ্গে জেনাকে হারাম করেছেন।

পাপাচার থেকে মুক্ত হয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করার জন্য আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের ওপর এ বিধান দিয়েছেন। এটা আল্লাহ তাআলার একটা গুরুত্বপূর্ণ নীতি। তবে, সবাইকে বিয়ে করার সুযোগ ইসলাম রাখেনি বা দেয়নি।

 

ইসলামের দৃষ্টিতে, মানবজাতির এই সভ্যতা ও আদর্শ রক্ষায় একজন পুরুষ ১৪ জন নারীদের মধ্যে যে কারও সঙ্গে বিয়ে করতে পারবেন না। যদি তা করে, তাহলে সেই বিয়ে হারাম ও অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।

 

পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ২৩ থেকে ২৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ ১৪ জন নারীকে একজন পুরুষের জন্য বিবাহ করা হারাম ঘোষণা করেছেন।

 

এই ১৪ জন নারী হলেন:

 

১.  নিজের মা;

 

২. দাদি, নানি ও তাদের ওপরের সবাই;

 

৩. নিজের মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে ও তাদের গর্ভজাত কন্যাসন্তান;

 

৪. সহোদর, বৈমাত্রেয় (সৎমায়ের মেয়ে) ও বৈপিত্রেয় (সৎবাবার মেয়ে) বোন;

 

৫. বাবার সহোদর বোন এবং বাবার বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন (ফুপু);

 

৬. যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন হয়েছে, তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর ঔরসজাত কন্যাসন্তান, স্ত্রীর আপন মা, নানিশাশুড়ি ও দাদিশাশুড়ি;

 

৭. মায়ের সহোদর বোন এবং মায়ের বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন (খালা);

 

৮. ভাতিজি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কন্যাসন্তানরা;

 

৯. ভাগনি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কন্যাসন্তানেরা;

 

১০. দুধমেয়ে (স্ত্রীর দুধ পান করেছে এমন), সেই মেয়ের মেয়ে, দুধছেলের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কোনো কন্যাসন্তান এবং দুধছেলের স্ত্রী;

 

১১. দুধ মা এবং তার দিকের খালা, ফুপু, নানি, দাদি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা;

 

১২. দুধবোন, দুধবোনের মেয়ে, দুধভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যেকোনো কন্যাসন্তান। অর্থাৎ, দুধ সম্পর্ককে রক্তসম্পর্কের মতোই গণ্য করতে হবে;

 

১৩. ছেলের স্ত্রী;

 

১৪.  অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

 

ডিবিসি/ এফএটি

আরও পড়ুন