উত্তরের জেলা রংপুরে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যেখানে চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।
সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাসাবাড়ি ও রেস্তোরাঁগুলোতে রান্নাবান্নায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি গ্যাস চালিত যানবাহনগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও মালিকরা।
জেলায় প্রতি মাসে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন সিলিন্ডার ও সাড়ে চার হাজার মেট্রিক টন এলপিজি গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ নেমে এসেছে তলানিতে। প্রদর্শিত মূল্য তালিকায় ১২ লিটারের গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১৪০০ টাকা হলেও বাস্তবে তা দুই হাজার টাকাতেও মিলছে না। গ্যাস সিলিন্ডার বর্তমানে যেন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। স্টেশনগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
রংপুর এলপিইজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোতাব্বের হোসেন বিদ্যুৎ জানান, বিভাগের আট জেলায় প্রতি মাসে সিলিন্ডার গ্যাসের চাহিদা প্রায় ১৮০০ থেকে ২০০০ মেট্রিক টন এবং পরিবহনের জন্য প্রয়োজন ৫০০০ মেট্রিক টন। কিন্তু গত তিন সপ্তাহ ধরে সরবরাহ চাহিদার ২০ শতাংশে নেমে এসেছে।
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি আব্দুর রহমান মনে করেন, আমদানি চেইনের জটিলতা ও তদারকির অভাবেই এই অস্থিরতা। অন্যদিকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জনবল সংকটকে এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রংপুরের আট জেলার ২৪৭টি এলপিজি স্টেশন ও ডিলার পয়েন্টের বেশিরভাগেই বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ সীমিত রয়েছে।
ডিবিসি/এনএসএফ