জেলার সংবাদ

রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তির পর কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

রংপুর প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৩ আগস্ট) জবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে তাদের প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে পাঠানো হয়।


এর আগে বিকেলে দুই আসামিকে রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পরে বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা জবানবন্দি দেন।


বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি। তিনি জানান, দুই যুবক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাই তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এছাড়াও জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন আসামিরা। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।


উল্লেখ্য, শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রবিবার ভোরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করা হয়।


এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ দুপুরে (২৩ আগস্ট) মহানগর পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ জানায়, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় বাসার মালিক গণপতিসহ তার পরিবারের সদস্যদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন