পর্যাপ্ত যোগান থাকার পরও চড়া নিত্যপণ্যের বাজার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, রমাজানের আগেই নিশ্চিত করা হয়েছে প্রয়োজনীয় আমদানি। পাইকারি ব্যবসায়ীরাও বলছেন, সরবরাহে ঘাটতি নেই। তবুও খুচরা বাজারে চলছে নৈরাজ্য। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে নিত্যপণ্যের বাজার জিম্মি থাকায় সিন্ডিকেটের লাগাম টানা যাচ্ছে না।
সম্প্রতি বাজার তদারকি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের হাতে হেনস্থার শিকার হন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা। গ্রাহকের বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও প্রতিকার নেই। ক্রমশ বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। পবিত্র রমজানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্যের দাম কমলেও বরাবরই বাংলাদেশের বাজারে বাড়ে দাম। তবে, গত রমজানে এ চিত্র পাল্টে দিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছিলো অন্তর্বর্তী সরকার।
বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যের জোগান কম হলে সাধারণত সংকট দেখা দেয়। এতে বেড়ে যায় পণ্যের দাম। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এবার রমজানের আগেই পণ্যের পর্যাপ্ত আমদানি নিশ্চিত করেছে সরকার। আগের বছরের তুলনায় চিনি ৮ শতাংশ, ডাল জাতীয় পণ্য ১৬ শতাংশ, ছোলা ১৭ শতাংশ, সয়াবিন তেল ৩৬ শতাংশ ও খেজুরের আমদানি বেড়েছে ১ শতাংশ। আর তাই পণ্যের দামে নৈরাজ্যের জন্য বাজার সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরাও বলছেন, পণ্যের দাম নিয়ে অস্থিরতার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্লেষকরা মনে করেন, পণ্যের ঘাটতি না থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়চ্ছে সিন্ডিকেট।
ডিবিসি/আরএসএল