নির্ধারণ হবে ৩০ আসামির ভাগ্য

রাত পোহালেই আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

১০ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল রংপুর শহর। পুলিশের গুলিতে দিগ্বিদিক ছুটছিলেন শিক্ষার্থীরা। ঠিক তখনই দুহাত চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ। মুহূর্তেই তার দিকে ছুটে আসে একের পর এক গুলি; রক্তে ভেসে যায় শরীর, নাম ওঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদের তালিকায়।

অবশেষে রাত পোহালেই নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের দায়ে হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় শুনবে গোটা জাতি।

 

দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নির্ধারণ হবে এ মামলার ৩০ আসামির ভাগ্য।

 

গত ৫ মার্চ রায় ঘোষণার এই দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

 

মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ সাক্ষ্য দিয়েছেন ২৫ জন। তারকা সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ। তবে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের সাক্ষ্যে উঠে এসেছে এ মামলার ৩০ আসামির আলাদা আলাদা দায়। জবানবন্দিতে নিজের তদন্তে পাওয়া ৩০ আসামিরই ব্যক্তিগত দায় ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছেন তিনি।

 

এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। বাকি ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক।

 

কাঙ্ক্ষিত একটি রায়ের প্রত্যাশা করছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আবু সাঈদ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শহিদ। যার নির্মম হত্যাকাণ্ডের চিত্র গোটা বিশ্ব দেখেছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে। সুতরাং আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। একই সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত রায় পাব বলেও আমরা আশাবাদী। কেননা মামলাটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

ডিবিসি/ এইচএপি  

আরও পড়ুন