আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকার মাঠ প্রশাসন ঢেলে সাজানোর যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে, সেখানে লটারির মাধ্যমে পদায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, মেধা ও অভিজ্ঞতার বদলে লটারির মাধ্যমে প্রশাসন সাজানো ভালো কোনো ফল বয়ে আনবে না। তবে কিছু ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজে লাগাতে কেউ কেউ এই পদ্ধতিকে ‘মন্দের ভালো’ হিসেবে দেখছেন।
ইতোমধ্যেই ৬৪ জেলায় নতুন ডিসি ও পুলিশ সুপার এবং ১৬৬ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লটারির মাধ্যমে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে থানার ওসিদের দায়িত্বও একই পদ্ধতিতে বণ্টন করা হবে।
সাবেক সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার এবং এমডি ফিরোজ মিয়া এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টনই শ্রেয়। তবে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে সরকারের সদিচ্ছার ওপর। লটারি পদ্ধতি নিয়ে নবীন ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যেও চাপা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ডিবিসি/পিআরএএন