দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আসন্ন সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবৈধ অস্ত্র এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন থানা ও স্থাপনা থেকে লুট হওয়া ৫ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ২৩ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৩৩১টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া সাড়ে ৬ লাখ রাউন্ড গুলির মধ্যে উদ্ধার হয়নি প্রায় আড়াই লাখ রাউন্ড।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার না হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চাইনিজ রাইফেল, এসএমজি এবং প্রচুর পরিমাণ পিস্তল ও শটগান।
এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, নির্বাচনের আগেই অস্ত্র উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে সমাজবিজ্ঞানী ড. তৌহিদুল হক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা এই অস্ত্রগুলো টার্গেট কিলিং বা বড় ধরনের নাশকতায় ব্যবহার হতে পারে। সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিতে দ্রুত এই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি।
পুলিশের তথ্যমতে, গণ অভ্যুত্থানের সময় লুট হয় ৫ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাড়ে ৬ লাখ রাউন্ড গুলি। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৪ হাজার ৪৩২টি অস্ত্র এবং প্রায় ৪ লাখ রাউন্ড গুলি। উদ্ধার না হওয়া অস্ত্রের মধ্যে চাইনিজ রাইফেল ১১২টি, চাইনিজ এসএমজি ৩১টি, সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু পিস্তল ২০৬টি, নাইন এমএম পিস্তল ৪৫০টি এবং শটগান ৩৯০টি।
ডিবিসি/কেএলডি