আন্তর্জাতিক, এশিয়া

লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

পূর্ব ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলায় প্রাথমিকভাবে ৬ জন নিহত এবং ২৫ জনেরও বেশি আহত হওয়ার কথা জানালেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনেরও বেশি বলে নিশ্চিত করা হয়। বেকা গভর্নরেটের রিয়াক শহরের একটি ভবনে চালানো এই হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। 

 

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের সন্ধানে এখনও জোর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। আহতদের উদ্ধার করে ইতোমধ্যে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা বেকার বালবেক এলাকায় 'হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড সেন্টারে' আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা এএফপিকে হিজবুল্লাহর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এ হামলায় নিহতদের মধ্যে তাদের একজন সামরিক নেতাও রয়েছেন।

 

এর আগে শুক্রবার লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সিডনের উপকণ্ঠে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির 'আইন এল-হিলওয়েহ'-তে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এনএনএ-এর তথ্যমতে, শিবিরের হিটিন পাড়া লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলায় একটি ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেটি আগে ফিলিস্তিনি যৌথ বাহিনীর নিরাপত্তাকাজে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা বিতরণের উদ্দেশ্যে একটি রান্নাঘর পরিচালিত হচ্ছিল।

 

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে এ হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির "বারবার লঙ্ঘনের জবাব" হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেছে, তারা 'হামাসের একটি কমান্ড সেন্টারে' হামলা চালিয়েছে। তবে হামাস এই দাবিকে 'বানোয়াট' আখ্যা দিয়ে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং বেসামরিক প্রাণহানির কথা তুলে ধরেছে। হামাস জোর দিয়ে বলেছে, লেবাননের কোনো শরণার্থী শিবিরে তাদের কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা স্থাপনা নেই।

 

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের অধিকার বিষয়ক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বরেও ইসরায়েল আইন এল-হেলওয়েহ শিবিরে একটি বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছিল। সেই হামলায় ১১ শিশুসহ মোট ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

 

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

 

ডিবিসি/এএমটি

আরও পড়ুন