শরীয়তপুর জেলা কারাগারের অপরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে খোলা জায়গা এখন পরিণত হয়েছে আবর্জনার ভাগাড়ে। জন্ম নিচ্ছে মশা-মাছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের দাবি স্থানীয়দের।
১৯৮২ সালে নির্মাণ করা হয় শরীয়তপুর জেলা কারাগার। শুরুর দিকে কয়েদিদের চাপ কম থাকলেও সময়ের পরিবর্তনে এখন কয়েদির চাপ ধারণ ক্ষমতার চেয়েও দ্বিগুণ। কিন্তু শুরু থেকেই কারাগারের পয়নিস্কাশন ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘ ৩৬ বছরের মল-মুত্র এখন পরিনত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।
দূর্গন্ধ ও মশা মাছির যন্ত্রনা পোহাতে হচ্ছে আশ পাশের মানুষদের। জেল কর্তৃপক্ষকে লিখিত ও মৌখিক ভাবে বিষয়টি বারবার জানিয়েও কোন ফল মেলেনি।খোলাস্থানে বর্জ্য ফেলার নিষেধাজ্ঞা যারা অমান্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল। তিনি জানান, 'ইতিমধ্যে আমরা তাদেরকে জানিয়েছি খালের মধ্যে এভাবে বর্জ্য ফেলা যাবে না। এ ক্ষেত্রে আমরা আমাদের পৌরসভার আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।'
এরইমধ্যে অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত সুয়ারেজ সিষ্টেম ডিজাইন করে কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেল সুপার। শরীয়তপুরের ভারপ্রাপ্ত জেল সুপার মোহাম্মদ মাহবুর রহমান শেখ বলেন, 'গণপূর্ত বিভাগ একটা অত্যাধুনিক সুয়ারেজ সিস্টেমের নকশা করে পাঠিয়েছে। আশাকরি এই সমস্যা আর থাকবে না।'