যশোরে পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করার অভিযোগে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগমকে (২০) আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। নিহত নারীর নাম সকিনা (৬০)। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতিটিও উদ্ধার করেছে।
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের ছেলে শহিদুল ইসলাম তার মায়ের নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজ বাসার সামনে একটি পরিত্যক্ত বস্তার ভেতরে সকিনার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় পরিবার। তাৎক্ষণিকভাবে জেলা গোয়েন্দা শাখা ও কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করে।
তদন্ত চলাকালে নিহতের পুত্রবধূ মরিয়ম বেগমের আচরণে সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলেও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। মরিয়ম জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে শাশুড়ি নিয়মিত বকাঝকা করতেন, যার ক্ষোভ থেকেই তিনি এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন।
আটক মরিয়ম বেগম যশোর কোতোয়ালী থানার বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলাসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডিবিসি/টিবিএ