অপরাধ

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৪ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় পড়া শুরু করেন।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সকালে এই মামলার দুই আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। এরপর তাদের উভয়কে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।


মাত্র চার কার্যদিবসে এই আলোচিত মামলার বিচারকাজ শেষ হয়েছে। গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরদিন ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর ৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিনটি ধার্য করেছিলেন।


মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজেদের রুমে ডেকে নেয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার মা আসামির দরজার সামনে জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে অন্যান্যদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির ভেতর কাটা মাথা দেখতে পাওয়া যায়।

পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন