শেরপুরের শ্রীবরদীতে নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত এক সভায় বসার জায়গাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনের সারির চেয়ারে বসা নিয়ে দুই দলের কর্মীদের বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
এর জেরে সন্ধ্যায় পুনরায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে গণমাধ্যমকর্মী ও সেনাসদস্যসহ দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। নিহত রেজাউল করিমের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে জানাজার জন্য আনা হলে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
এই সহিংসতার জন্য প্রশাসনের অবহেলাকে দায়ী করেছেন জামায়াত নেতারা। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, তাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন জানান, জামায়াত নেতারা চাইলে এই সংঘাত এড়াতে পারতেন, তবে সহিংসতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এদিকে জামায়াতের হামলায় গুরুতর আহত যুবদল নেতা আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হচ্ছে। বর্তমানে এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিবিসি/এনএসএফ