আন্তর্জাতিক

সংঘাত বন্ধ রাখলেও হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ছে না তেহরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনা সাময়িকভাবে প্রশমন করে পুনরায় আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে সংঘাত বন্ধ রাখার এই চুক্তির মাঝেই হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছে তেহরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আপাতত উভয় পক্ষই সব ধরনের সামরিক বা ‘কাইনেটিক’ কার্যক্রম বন্ধ রাখবে, যার ফলে ওই প্রণালীতে নৌযানগুলো অবাধে চলাচল করতে পারবে। এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি দলের নেতৃত্ব দেবেন নিক স্টুয়ার্ট।

 

রয়টার্সের মতে, আলোচনাটি সমঝোতা স্মারকের (MoU) সমস্ত ক্ষেত্র জুড়ে হবে; তবে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে হরমুজ প্রণালী।

দোহায় শান্তি আলোচনার এই প্রস্তুতির মাঝেই হরমুজ প্রণালীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ দাবি করে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীর সার্বিক দায়িত্ব একমাত্র তেহরানের। 

 

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এই জলপথে ইরানের কর্তৃত্বকে এড়িয়ে নিজেদের পছন্দের অন্য কোনো বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা করা হলে তা এই অঞ্চলে উত্তেজনা ও পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটাবে। আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে তেহরানের এমন অনড় অবস্থান দোহা বৈঠকের ফলাফল নিয়ে একধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

 

এদিকে, হরমুজ প্রণালীর এই উত্তেজনার পাশাপাশি গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের সংসদ স্পিকার নাবিহ বেরি জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে বৈরুতের প্রস্তাবিত কাঠামো চুক্তিটি সংসদে পাস বা বাস্তবায়ন করা হবে না, কারণ এতে লেবাননের অধিকার নিশ্চিত হয়নি।

 

অন্যদিকে, গাজা ও সিরিয়াতেও সংঘাতের মাত্রা তীব্রতর হচ্ছে। অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নতুন করে আরও চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় কুনেইত্রা ও দারা প্রদেশে ইসরায়েলি সামরিক অনুপ্রবেশের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দামেস্ক। সিরিয়া সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েলের এই অব্যাহত হামলা সমগ্র অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ও সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

 

সূত্র: আলজাজিরা

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন