ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ‘অত্যন্ত প্রজ্ঞার সঙ্গে’ জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয় পরিচালনা করছেন। তাঁর অনুমোদন ছাড়া দেশে কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয় না।
যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এরপর থেকে তিনি কেবল রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলমান এই যুদ্ধে মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এমনকি গত মার্চ মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মন্তব্য করেছিলেন, হামলায় মোজতবা খামেনির শরীর বা চেহারা সম্ভবত বিকৃত হয়ে গেছে। তবে এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (৭ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এক দীর্ঘ বৈঠক করা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ডিবিসি/কেএলডি