বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)।

রবিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহা. মাসুদুর রহমান (পিএসসি), জেলা প্রশাসক মিস কাউছার আজিজ, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ এবং সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান শরিফ প্রমুখ।

 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন বিওপি এবং ব্যাটালিয়ন সদরের পরিচালিত একাধিক অভিযানে ৪৮ জন আসামিসহ মোট ১২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব পণ্যের মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল, যা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হলো।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বিজিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।’

 

এজন্য তিনি মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া প্রাণঘাতী মাদকদ্রব্য জনসম্মুখে ধ্বংসের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ আরও জোরদার করতেই নিয়মিতভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন