'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষিত সাভার উপজেলার বায়ুমান উন্নয়নে ইটভাটা বন্ধে কিছু অভিযান চালানো হলেও দূষণ ছড়ানো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশাসনের নজরের বাইরেই রয়ে গেছে।
বিশেষ করে অবৈধ সিসা কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়ায় প্রতিনিয়ত বিষিয়ে উঠছে পরিবেশ। পরিবেশবিদরা বায়ুদূষণ রোধে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে নজরদারির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন।
শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এবং পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। ঘনবসতিপূর্ণ এই শিল্পাঞ্চলের বায়ুমান মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছানোয় গত বছর এলাকাটিকে 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর ইটভাটা বন্ধে উদ্যোগ নিলেও সাভারের গ্রামাঞ্চলে গড়ে ওঠা অন্তত ২০টি অবৈধ সিসা কারখানার দিকে প্রশাসনের তেমন নজর নেই। এসব কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
এছাড়া সড়ক-মহাসড়কের পাশে খোলা স্থানে ফেলা বাসাবাড়ির বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়া এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ির কালো ধোঁয়া দূষণের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দীন রুনু বায়ুমান উন্নয়নে সব প্রতিষ্ঠানকে নজরদারিতে আনার পরামর্শ দেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুন নাহার পর্যায়ক্রমে দূষণকারী সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় শুধু অভিযান নয়, প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা।
ডিবিসি/এনএসএফ