ইরান নিজ থেকে কোনো যুদ্ধ শুরু করেনি, তবে দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর যেকোনো সামরিক আগ্রাসন শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় জুমার নামাজের আগে দেওয়া এক বক্তব্যে এই দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ মজিদ ইবন আল-রেজা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাত দিয়ে তিনি জানান, ইরান তার পূর্ববর্তী ১২ দিনের সংঘাতের তুলনায় তথাকথিত ‘রমজান যুদ্ধে’ অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ময়দানে নেমেছিল। সাম্প্রতিক এই যুদ্ধকে দেশের জন্য একটি ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, এতে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হলেও তা ইরানি জাতির জাতীয় আত্মবিশ্বাসকে আন্তর্জাতিকভাবে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরেছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে তরুণদের ওপর আস্থা রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং ঐক্য বজায় রাখলে যেকোনো হুমকি দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা সম্ভব। একইসঙ্গে সংঘাতের সময় শত্রুর সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক নজরদারিতে ইরান নিজেদের প্রযুক্তিগত চমক এবং কৌশলগত অগ্রগতি কার্যকরভাবে প্রদর্শন করেছে।
তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনো ধরনের যুদ্ধোন্মাদনার জন্য নয়, বরং আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা এবং সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান কোনো দেশের বিরুদ্ধে কখনোই সামরিক আগ্রাসনের সূচনা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না, তবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিবিসি/ এসডব্লিউএন